বাংলাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বাংলাদেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গোপালগঞ্জে কালেক্টর বাজারে ন্যায্যমূল্যে গরুর মাংস ও ফল বিক্রি

গোপালগঞ্জে কালেক্টর বাজারে ন্যায্যমূল্যে গরুর মাংস ও ফল বিক্রি

রমজান মাসে মাংস ও ফল সংগ্রহের সীমার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে গোপালগঞ্জের কালেক্টর মার্কেটে ৬৬০ টাকা কেজি ন্যায্যমূল্যে গরুর মাংস ও ফল বিক্রি শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহায়তায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গরুর মাংস ও ফলমূলমূল্যের নিচে বিক্রি হওয়ায় সর্বস্তরের মানুষ বাজারে আসেন। জেলা প্রশাসক বলেন, এই হাটে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করলে অন্যান্য বাজারে দাম কমবে। নগরীর বঙ্গবন্ধু রোডের কালেকশন মার্কেটে গিয়ে দেখা যায়, রমজান এলেই মাংস, ফলমূলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অন্যান্য দিনের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এটা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের নাগালের বাইরে। তাই ন্যায্যমূল্যে গরুর মাংস ও ফলমূল বিক্রিতে বিশেষায়িত গোপালগঞ্জ শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কে একটি কালেক্টর মার্কেট গড়ে তোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুল আলম মঙ্গলবার দুই কেজি গরুর মাংস ৬৬০ টাকায় ক্রেতাদের হাতে তুলে দিয়ে কালেক্টর মার্কেটের সূচনা করেন। এ হাটে প্রতিদিন গরু জবাই হয়। এরপর গরুর মাংস ক্রেতাদের সামনে কেটে বিক্রি করা হয় ৬৬০ টাকায়, যা সরকারি মূল্য প্রতি কেজি ৬৬৪ টাকা থেকে ৪ টাকা কম। এছাড়া প্রতি পিস তরমুজ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং ৫ থেকে ১০ কেজি প্রতি পিস ৫০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়। অন্যান্য বাজার থেকে মাংস প্রায় ১৫০ টাকা কেজি, তরমুজ ও ফুটবল ১ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে কিনতে পাওয়ায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সব বয়সের ক্রেতারা এখানে ভিড় করেন। তবে অধিকাংশ ক্রেতাই শ্রমিক, দিনমজুর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ক্রেতারা এমন একটি বাজারে কম দামে পছন্দসই পণ্য কিনতে পেরে খুশি যেখানে পণ্যের দাম বাড়ছে।
ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া ১০ টি সহজ উপায়

ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া ১০ টি সহজ উপায়

ত্বক ফর্সা ও উজ্জ্বল হোক এটা অনেক লোকই চায়। ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া অনেক প্রাকৃতিক উপায় আছে। যা আপনাকে উজ্জ্বল ত্বক অর্জন করতে সাহায্য করবে। বাজারে অনেক ফর্সা হওয়ার ক্রিম পাওয়া যায় সেগুলো আপনি ব্যবহার করলে সামগ্রিক ভাবে ফর্সা হলেও দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।‌‌আপনি যদি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর উপায়ে আপনার ত্বককে ফর্সা করতে চান তবে দেওয়া নির্দেশনা গুরুত্বপূর্ণ টিপস এবং সতর্কতা অনুসরণ করুন।
ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া ১০ টি টিপস ত্বকে লেবুর রস এর ব্যবহার লেবুর রস একটি জনপ্রিয় এবং কার্যকরী প্রাকৃতিক উপায় যা ত্বককে ফর্সা ও উজ্জ্বল করে। এতে রয়েছে সাইট্রিক অ্যাসিড ও ভিটামিন সি যা আপনার ত্বকের সব ধরনের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে আরও উজ্জ্বল ও ফর্সা। লেবুর ব্লিচিং উপাদান ত্বকের একদম ভিতর থেকে দাগমুক্ত করে এবং রোদে পোড়া দাগ ও সহজে দূর করে। লেবুর রস ব্যবহার করার নিয়ম নিচে দেওয়া হলো একটি তাজা লেবুর রস চেপে বের করে নিন। একটি তুলোর বল বা পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করে এটি সরাসরি আপনার ত্বকে লাগান। তারপর এটি ১৫-২০ মিনিটের জন্য আপনার ত্বকে রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। লেবুর রস লাগানোর পরে অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করবেন কারণ এটি আপনার ত্বককে UV রশ্মির প্রতি আরও সংবেদনশীল করে তুলতে পারে। ত্বকে অ্যালোভেরা এর ব্যবহার অ্যালোভেরা তার ঔষধি গুণ এবং নিরাময় বৈশিষ্ট্যের জন্য বেশ পরিচিত। এটি আপনার ত্বককে ময়েশ্চারাইজড রাখার সময় কালো দাগ ফর্সা করতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরা ব্যবহার করার নিয়ম অ্যালোভেরার গাছ থেকে তাজা অ্যালোভেরা রস বা জেল বের করে নিন। আপনার ত্বকে রস বা জেলটি লাগান এবং ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকে হলুদ ব্যবহার হলুদ একটি শক্তিশালী মসলা যা ত্বককে উজ্জ্বল করে। হলুদের এন্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং এন্টি ইনফ্লামেটরি উপাদান ত্বকের সব ধরনের জীবাণু ধ্বংস করে।এটি আপনার ত্বকের বর্ণ আরও উজ্জ্বল করতে এবং কালো দাগ ফর্সা করতে সাহায্য করে। এই ভেষজ উপাদান ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তোকে বয়সের ছাপ দূর করতেও সাহায্য করে এই ভেষজ উপাদান। এই হলুদ ত্বকে ব্যবহার করার পাশাপাশি যদি আপনি খালি পেটে খেতে পারেন তাহলে আপনার শরীর থেকে সমস্ত প্রকার টক্সিন বের হয়ে যাবে। নিচে ত্বকে হলুদ ব্যবহার এর নিয়ম দেওয়া হলো হলুদের মুখোশ তৈরি করতে: দই বা মধুর সাথে হলুদের গুঁড়ো বা কাঁচা হলুদ বাটা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। আপনার মুখে বা কালো দাগে পেস্টটি লাগান এবং ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে এক মাসের মধ্যেই ত্বক ফর্সা হওয়া শুরু করবে। ত্বকে দইয়ের ব্যবহার দই ল্যাকটিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা ত্বককে এক্সফোলিয়েট করতে পারে এবং একটি উজ্জ্বল ওফর্সা বর্ণ তৈরি করতে পারে। দই আমাদের লোমকূপে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। ত্বকেদই ব্যবহার করার নিয়ম: দুই টেবিল চামচ টক দই ও এক চামচ মধু নিন। এই উপাদান গুলি ভালোভাবে মিশিয়ে আপনার ত্বকে বা কালো দাগে লাগান এবং ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে আপনার ত্বক খুব দ্রুতই উজ্জ্বল ফর্সা হবে। ত্বকে মধু এর ব্যবহার মধু কমবেশি আমাদের সবারই পছন্দ। মধু একটি প্রাকৃতিক হিউমেক্ট্যান্ট যা ত্বককে ময়শ্চারাইজ করতে সাহায্য করে এবং কালো ত্বক দাগ মুক্ত উজ্জ্বল ও ফর্সা করতে সাহায্য করে। এছাড়া কেউ নিয়মিত মধু সেবন করলে তার দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। মধু ব্যবহার এর নিয়ম আপনার মুখে মধুর একটি পাতলা স্তর তৈরি করুন। ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত মধু ব্যবহার করলে ত্বক উজ্জল ও ফর্সা হব ত্বকে পেঁপের ব্যবহার পেঁপেতে প্যাপেইন নামক একটি এনজাইম রয়েছে, যা ত্বকের মৃত কোষগুলো অপসারণ করতে সাহায্য করে। পেপে তে থাকা প্রাকৃতিক এসিড ত্বকের কালো দাগ মুক্ত করে উজ্জ্বল ও ফর্সা ত্বক পেতে সাহায্য করে। পেপেতে প্রচুর পরিমাণ পানি আছে যা আপনার ত্বকে সবসময় হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করবে। পেঁপে ব্যবহার করার নিয়ম: পাকা পেঁপে ম্যাশ করে বা পিষিয়ে মুখে বা কালো দাগে লাগান। ১৫-২০ মিনিটের জন্য আপনার ত্বকে রেখে দিন। হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করুন অবশ্যই ভালো ফল পাবেন। ত্বকে শসার ব্যবহার শসা তে প্রাকৃতিকভাবে প্রচুর পানি থাকে যা আপনার ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। শসার প্রাকৃতিক ঠান্ডা বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা রোদে পোড়া ত্বককে উজ্জ্বল করে। এক টুকরো শসা চোখের উপরে রাখলে চোখের ফোলা ভাব ও কালো দাগ দ্রুত দূর হয়ে যায়। শসার তৈরি জুস ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বক ফর্সা হয় ও ত্বকের লাল লাল ভাব কমে যায়। শসা ব্যবহার করার নিয়ম একটি শসা কুঁচি করে পেস্ট করুন এবং আপনার ত্বকে লাগান। ১৫-২০ মিনিটের জন্য আপনার ত্বকে রেখে দিন। নরমাল ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করুন এবং উজ্জল ও ফর্সা ত্বক উপভোগ করুন। ত্বকেবাদাম তেলর ব্যবহার বাদাম তেলে প্রচুর ভিটামিন ই থাকে, যা আপনার ত্বককে উজ্জ্বল করতে এবং কালো দাগগুলিকে ফর্সা করতে সাহায্য করে। বাদাম তেল ব্যবহার করার নিয়ম: ঘুমানোর আগে আপনার ত্বকে কয়েক ফোঁটা বাদাম তেল আলতো করে ম্যাসাজ করুন। সারারাত রেখে দিন এবং সকালে ধুয়ে ফেলুন এভাবে প্রতিদিন রাতেই ব্যবহার করুন। ত্বকে ওটমিলের ব্যবহার ওটমিল একটি প্রাকৃতিক এক্সফোলিয়েন্ট হিসাবে কাজ করে যা ত্বকের মৃত কোষগুলিকে অপসারণ করতে সাহায্য করে। ওটমিল ত্বককে উজ্জ্বল ও ফর্সা করতে অনেক ভূমিকা পালন করে। ওটমিল ব্যবহার করার নিয়ম পানির সাথে ওটমিল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। পেস্টটি আপনার মুখে বা ত্বকে লাগান এবং একটি গোলাকার বা বৃত্তাকার গতিতে আলতো করে স্ক্রাব করুন। কয়েক মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকে আলুর ব্যবহার আলুতে ক্যাটেকোলেজ নামক একটি এনজাইম থাকে যা কালো দাগ দূর করতে এবং ত্বক উজ্জল ও ফর্সা করতে সাহায্য করে। আলু ব্যবহার করার নিয়ম: একটি আলু থেঁতো করে বা পিষে তার রস বের করুন এবং আপনার ত্বকে বা কালো দাগে লাগান। ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। নরমাল ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। টিপস এবং সতর্কতা যদিও এই প্রাকৃতিক উপায় গুলো আপনার ত্বককে ফর্সা ও উজ্জ্বল করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তারপরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস এবং সতর্কতা অনুসরণ করা জরুরি: অ্যালার্জি বা বিপরীত প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করার জন্য প্রথমে একটু একটু করে ব্যবহার করে দেখুন। উপরের বর্ণিত প্রাকৃতিক উপায় গুলোর মধ্যে যেকোনো একটি অথবা দুটি নির্বাচিত করুন। এবং ভালো ফলাফল পেতে নিয়মিত ব্যবহার করুন। আপনার ত্বকে আদ্রতা বজায় রাখার জন্য উপরের বর্ণিত প্রাকৃতিক উপায় গুলো ব্যবহার করার পরে সর্বদা আপনার ত্বককে ময়শ্চারাইজ করুন। ক্ষতিকারক UV রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করতে প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। উপরের বর্ণিত উপায় গুলি ব্যবহার করার পর যদি এলার্জির মতো বিরূপ অবস্থা সৃষ্টি হয় তাহলে একজন চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করুন। উপসংহার ত্বক ফর্সা করার ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করে ফর্সা ও উজ্জ্বল ত্বক অর্জন করা সম্ভব। তবে এর জন্য ধৈর্য এবং ধারাবাহিকতা প্রয়োজন। মনে রাখবেন মূল বিষয় হল আপনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে বৃদ্ধি করা এবং আপনার ত্বকের জন্য নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর উপায় গুলো ব্যবহার করা। আপনার ত্বককে ফর্সা করা এবং আপনার ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখার চেষ্টা করুন।তাই আরও উজ্জ্বল ত্বক পেতে আপনাকে সর্বদা আপনার ত্বকের সুস্থতাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার |ডেঙ্গু মশা চেনার উপায়

শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার |ডেঙ্গু মশা চেনার উপায়



গ্রীষ্মকালে ডেঙ্গু মশার উপদ্রব্য বেড়ে যায়। এ সময়ে মশা বাহিত রোগ ডেঙ্গু প্রচুর ছড়িয়ে পড়ে। আজ আমরা জানবো শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার ডেঙ্গু জ্বর কি ছোঁয়াচে রোগ, মশা কামড়ানোর কতদিন পর ডেঙ্গু হয়, ডেঙ্গু টেস্ট কি কি, ডেঙ্গু রোগের খাবার, ডেঙ্গু মশা কখন কামড়ায়, ডেঙ্গু মশা চেনার উপায়, ডেঙ্গু জ্বরের বাহক কোন মশা।

শিশুর ডেঙ্গু রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

শিশুদের মধ্যে ডেঙ্গুর লক্ষণ পরিবর্তিত হতে পারে, তবে সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

*তীব্র মাথাব্যথা

*চোখের পিছনে ব্যথা

*জয়েন্ট এবং পেশী ব্যথা

*ফুসকুড়ি

*বমি বমি ভাব এবং বমি

*নাক বা মাড়ি থেকে হালকা রক্তপাত

*ক্লান্তি

*পেটে ব্যথা

*উচ্চ জ্বর

কোনো শিশুর এই লক্ষণ গুলো দেখা দিলে ডাক্তারের কাছে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ মারাত্মক ডেঙ্গু (ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার নামেও পরিচিত) জীবন-হুমকি হতে পারে। হাইড্রেশন পর্যবেক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং উপযুক্ত যত্নের প্রয়োজন হতে পারে।

ডেঙ্গু মশা চেনার উপায়



নির্দিষ্ট শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ডেঙ্গু মশা বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টি মশা শনাক্ত করা যেতে পারে। তাদের সনাক্ত করার উপায় এখানে:


নির্দিষ্ট শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ পর্যবেক্ষণ করে ডেঙ্গু মশা বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টি মশা শনাক্ত করা যেতে পারে। তাদের সনাক্ত করার উপায় এখানে:


চেহারা:

আকার: এডিস ইজিপ্টি মশা অপেক্ষাকৃত ছোট, দৈর্ঘ্যে প্রায় ৪-৭ মিলিমিটার।

রঙ: তাদের শরীর এবং পায়ে স্বতন্ত্র সাদা চিহ্ন সহ একটি গাঢ় রঙ রয়েছে। তাদের পায়ে সাদা স্ট্রাইপ এবং তাদের বক্ষে একটি লাইট-আকৃতির প্যাটার্ন দেখা যায়।

আচরণ:

দিনের সময় কামড়ায়: এডিস ইজিপ্টি মশারা মূলত দিনের বেলা কামড়ায়। তারা খুব ভোরে এবং শেষ বিকেলে সক্রিয় থাকে।

ইনডোর এবং আউটডোর: এই মশাগুলি বাড়ির ভিতরে এবং বাইরে উভয়ই পাওয়া যায়। তারা প্রায়শই দিনের বেলা অন্ধকার, শীতল জায়গায় বিশ্রাম নেয়।

প্রজনন সাইট:

কন্টেইনার ব্রিডার: এডিস ইজিপ্টি মশারা স্থায়ী পানির ছোট পাত্রে ডিম পাড়তে পছন্দ করে। এর মধ্যে ফুলের পাত্র, ফেলে দেওয়া টায়ার, জল সঞ্চয়ের পাত্র এবং অন্যান্য ছোট, মানবসৃষ্ট পাত্র অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

ফ্লাইট প্যাটার্ন:

নিম্ন এবং সংক্ষিপ্ত ফ্লাইট: এরা তুলনামূলকভাবে কম উড়তে থাকে এবং অন্যান্য মশার প্রজাতির তুলনায় তাদের উড়ানের পরিসর কম থাকে।

কামড়ানো আচরণ:

একাধিক কামড়: এডিস ইজিপ্টি মশা প্রায়ই সময় একাধিক লোককে কামড়ায়, যা রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।

ডেঙ্গুর জন্য ভেক্টর: এটি লক্ষ করা গুরুত্বপূর্ণ যে এই বৈশিষ্ট্যগুলি এডিস ইজিপ্টি মশা সনাক্ত করতে সাহায্য করতে পারে, ডেঙ্গু ভেক্টর হিসাবে তাদের ভূমিকা নিশ্চিত করার সুনির্দিষ্ট উপায় হল পরীক্ষাগার পরীক্ষার মাধ্যমে। তারা ডেঙ্গু জ্বর সংক্রমণের প্রাথমিক বাহক হিসাবে পরিচিত।যদি আপনার সন্দেহ হয় যে আপনার বাসায় মশার উপদ্রব আছে বা আপনার এলাকায় এডিস ইজিপ্টি মশার উপস্থিতি শনাক্ত করতে চান, আপনি সহায়তার জন্য স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বা মশা নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং মশার কামড় কমানোর জন্য প্রজনন স্থানগুলি হ্রাস করা, মশারি ব্যবহার করা এবং পোকামাকড় প্রতিরোধক প্রয়োগ করা গুরুত্বপূর্ণ।



শিশুর ডেঙ্গু রোগের প্রতিকার

শিশুদের ডেঙ্গুর চিকিৎসা প্রাথমিকভাবে সহায়ক যত্নের উপর দৃষ্টি দিতে হবে, কারণ ডেঙ্গু ভাইরাসের জন্য কোনও নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। এখানে শিশুদের ডেঙ্গু চিকিৎসার কিছু মূল দিক আলোচনা করা হলো:

তরল খাবার: সঠিক হাইড্রেশন বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিহাইড্রেশন রোধ করতে শিশুকে প্রচুর পরিমাণে তরল পান করতে উৎসাহিত করুন, যেমন ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন, জল এবং পরিষ্কার স্যুপ।

জ্বর নিয়ন্ত্রণ: জ্বর কমাতে এবং ব্যথা কমাতে ওভার-দ্য-কাউন্টার প্যারাসিটামল দেওয়া যেতে পারে। আইবুপ্রোফেন বা অ্যাসপিরিনের মতো ব্যথা জাতীয় নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ(এনএসএআইডি) এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

বিশ্রাম: ডেঙ্গু রোগ থেকে মুক্তি পেতে বিশ্রামের বিকল্প নেই।

 নিয়মিত পর্যবেক্ষণ: শিশুর উপসর্গ এবং অত্যাবশ্যক লক্ষণগুলির উপর গভীর নজর রাখুন। যদি শিশুর অবস্থার অবনতি হয় বা রক্তপাত, শ্বাসকষ্ট বা ক্রমাগত বমি হওয়ার মতো গুরুতর লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে অবিলম্বে চিকিৎসার পরামর্শ নিন।

প্ল্যাটিলেট ট্রান্সফিউশন: গুরুতর ক্ষেত্রে যেখানে প্লাটিলেটের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়, রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের জন্য প্লাটিলেট ট্রান্সফিউশনের প্রয়োজন হতে পারে।

হাসপাতালে ভর্তি: গুরুতর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত কিছু শিশুর নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং শিরায় তরল গ্রহণের জন্য হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা: মশার কামড় এবং ডেঙ্গুর সম্ভাব্য বিস্তার রোধ করতে, শিশুকে বাড়ির ভিতরে রাখুন, মশারি ব্যবহার করুন এবং উন্মুক্ত ত্বকে পোকামাকড় নিরোধক প্রয়োগ করুন।

শিশুদের মধ্যে ডেঙ্গুর চিকিৎসার সঠিক নির্ণয় এবং নির্দেশনার জন্য সর্বদা একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন, কারণ রোগের তীব্রতা পরিবর্তিত হতে পারে এবং জটিলতা দেখা দিতে পারে।

Ques 1-ডেঙ্গু কি ছোঁয়াচে রোগ


Ans: ডেঙ্গু জ্বর সরাসরি ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে সংক্রামিত হয় না। এটি প্রাথমিকভাবে সংক্রামিত স্ত্রী এডিস মশা, বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টাই কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। যখন একটি মশা ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন এটি সংক্রামিত হতে পারে এবং তারপরে এটি সুস্থ মানুষকে কামড়ানো ফলে তার কাছে ভাইরাস প্রেরণ করতে পারে।

Ques 2-মশা কামড়ানোর কতদিন পর ডেঙ্গু হয়


Ans: মশার কামড়ের সাথে সাথে ডেঙ্গু সংক্রমণ হয় না। সংক্রামিত মশা কামড়ানোর প্রায় 4-10 দিন পরে লক্ষণগুলি দেখা দেয়।

এখানে ডেঙ্গু সংক্রমণ সম্পর্কে আরও বিশদ আলোচনা রয়েছে:

ইনকিউবেশন পিরিয়ড: ডেঙ্গু ভাইরাসের ইনকিউবেশন পিরিয়ড সাধারণত 4-10 দিন, গড়ে 7 দিন। ডেঙ্গু ভাইরাস বহনকারী একটি মশা আপনাকে কামড়ানোর পর ডেঙ্গুর উপসর্গ সৃষ্টির জন্য ভাইরাসটির প্রতিলিপি হতে মানুষের শরীরে পর্যাপ্ত মাত্রায় পৌঁছাতে এই সময় লাগে।

লক্ষণ: ডেঙ্গু জ্বর প্রায়শই হঠাৎ করে শুরু হয় এবং এর মধ্যে উচ্চ জ্বর, তীব্র মাথাব্যথা, জয়েন্ট এবং পেশীতে ব্যথা, ফুসকুড়ি এবং রক্তপাতের প্রবণতা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভার নামক মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে, যা প্রাণঘাতী হতে পারে।

মশার সংক্রমণ: ডেঙ্গু প্রাথমিকভাবে এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়, বিশেষ করে এডিস ইজিপ্টাই। যখন একটি সংক্রামিত মশা একজন ব্যক্তিকে কামড়ায়, তখন এটি সেই ব্যক্তির মধ্যে ভাইরাস প্রেরণ করতে পারে, যা সম্ভাব্য সংক্রমণের দিকে ধাবিত হয়।

প্রতিরোধ: ডেঙ্গু প্রতিরোধের সর্বোত্তম উপায় হল মশার কামড় এড়ানো। মশা নিরোধক ব্যবহার করা, লম্বা-হাতা পোশাক পরা এবং বিছানায় মশারি ব্যবহার করা, বিশেষ করে মশার কার্যকলাপের সর্বোচ্চ সময়ে (সকালে এবং শেষ বিকেলে) সতর্কতা অবলম্বন করা।

চিকিৎসা: ডেঙ্গুর জন্য কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই, তবে সহায়ক যত্নের ফলে ডেঙ্গুর লক্ষণগুলি প্রতিরোধ করা যায়। আপনার ডেঙ্গু সন্দেহ হলে হাইড্রেটেড থাকা এবং ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গুরুতর ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে।

ভৌগোলিক কারণ: ডেঙ্গু বিশ্বের অনেক গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপ-ক্রান্তীয় অঞ্চলে, বিশেষ করে এশিয়ার কিছু অংশ, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ, ক্যারিবিয়ান এবং মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায় বেশি প্রচলিত।

মনে রাখবেন যে ডেঙ্গু একটি গুরুতর অসুস্থতা হতে পারে, এবং যদি আপনি সন্দেহ করেন যে আপনার ডেঙ্গু হয়েছে, তাহলে সঠিক রোগ নির্ণয় এবং রোগ পরিচালনার বিষয়ে নির্দেশনার জন্য একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ।

Ques 3-ডেঙ্গু রোগের খাবার


Ans: যখন আপনার ডেঙ্গু হয়, তখন আপনার কম ক্ষুধা এবং সম্ভাব্য হজম সংক্রান্ত সমস্যাগুলি বিবেচনা করার সময় আপনার হাইড্রেশন বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে এমন একটি খাদ্যের উপর ফোকাস করা অপরিহার্য। ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য এখানে কিছু খাদ্যতালিকা দেওয়া হলো

 হাইড্রেটেড থাকুন: জ্বর এবং ঘামের কারণে ডেঙ্গু ডিহাইড্রেশন হতে পারে অর্থাৎ শরীর থেকে পানি বের হয়ে পানি শূন্যতা হতে পারে। পানি শূন্যতা পূরণ করার জন্য প্রচুর পরিমাণে তরল পান করুন যেমন জল, ওরাল রিহাইড্রেশন সলিউশন (ORS), নারকেল জল এবং পরিষ্কার স্যুপ। আপনার খুব পিপাসা না লাগলেও নিয়মিত তরল পান করুন।

ফল: নরম এবং সহজে হজমযোগ্য ফল যেমন কলা, পেঁপে এবং তরমুজ ভালো উপকারী। তারা প্রয়োজনীয় ভিটামিন সরবরাহ করে এবং ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

মশলাদার এবং তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন: মশলাদার, চর্বিযুক্ত এবং ভাজা খাবার পেটে জ্বালা করতে পারে। ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্তের সময় এগুলি এড়ানো ভাল।

প্লেন রাইস এবং টোস্ট: সাদা ভাত এবং টোস্ট পেটের জন্য সহজ হতে পারে এবং কিছু শক্তি জোগায়।

প্রোটিন: প্রোটিনের হালকা উৎস যেমন সেদ্ধ বা ভাপানো মুরগি, মাছ বা ডিম অন্তর্ভুক্ত করুন।

অম্লযুক্ত এবং সাইট্রাস খাবার এড়িয়ে চলুন: সাইট্রাস ফল এবং টমেটোর মতো অ্যাসিডিক খাবার আপনার পেটের আস্তরণে জ্বালাতন করতে পারে। আপনি যখন অসুস্থ থাকবেন তখন এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো।

ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন: ক্যাফেইন এবং অ্যালকোহল উভয়ই শরীরকে ডিহাইড্রেট করতে পারে, তাই আপনি সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত এই পানীয়গুলি থেকে বিরত থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।

ছোট, ঘন ঘন খাবার: আপনার যদি ক্ষুধা কমে যায়, তাহলে আপনি পর্যাপ্ত পুষ্টি পাচ্ছেন তা নিশ্চিত করতে সারাদিনে ছোট, ঘন ঘন খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।

আপনার শরীরের কথা শুনুন: আপনার শরীরের সংকেতগুলিতে মনোযোগ দিন। যদি একটি নির্দিষ্ট খাবার বা পানীয় আপনার সাথে না যায় তবে তা আপাতত এড়িয়ে চলুন।

একজন পেশাদার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন: যদি আপনার লক্ষণগুলি গুরুতর হয় বা আপনার খাদ্য সম্পর্কে কোনো চিন্তা থাকে, তাহলে একজন পেশাদার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করুন৷ তারা আপনার অবস্থার উপর ভিত্তি করে ব্যক্তিগত নির্দেশি�

সুপারফুডগুলি আপনার ফ্রিজে লুকিয়ে আছে

সুপারফুডগুলি আপনার ফ্রিজে লুকিয়ে আছে

নিজেকে শক্তি দেওয়ার, আপনার শরীরকে পুষ্ট করার এবং ওজন কমানোর সবচেয়ে সহজ এবং সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায়টি আপনার স্থানীয় মুদি দোকানে পাওয়া যেতে পারে, অথবা আপনি এটি আপনার রান্নাঘরে সমাহিত করতে পারেন। ভয় পাবেন না, মজা করুন। 

সুপারফুডগুলি সবসময় স্বাস্থ্য বা স্বাস্থ্যকর খাবার সম্পর্কে যে কোনও আলোচনার কেন্দ্রে থাকে। অনেক বিখ্যাত শেফ তাদের রেসিপি দিয়েছেন .

বিশ্বজুড়ে অনেক চিকিত্সা পেশাদাররা বড় বড় দোকান এবং খাবার সহ আমরা পরামর্শ দেন, কেউ কেউ বলে যে আপনি আপনার রক্ষণাবেক্ষণ সরবরাহের জন্য তাদের কিছু অবিলম্বে রাখছেন। 

আপনার কী আছে এবং তাঁর কেরিয়ার যা তাদের এটি চয়ন করে?

হাইলাইটস (যেমন প্রোটিন, খনিজ, ভিটামিন, ফ্যাট অ্যাসিড এবং অন্যান্য)। 

Ant অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ। 

📌 তারা দ্রুত তাদের ছেড়ে দেওয়ার জন্য দ্রুত। 

এগুলি যে কোনও কোর্সের জন্য দরকারী। 

করুণাময় বৃদ্ধি: সুন্দর ত্বক, একটি চকচকে চুল এবং চোখের চকচকে। 

আত্মা এবং আত্মার ভারসাম্য উন্নত করুন।

 Yams এবং Acai Berries মধ্যে

এই সুপারফুডগুলির মধ্যে কিছু সঠিকভাবে বহিরাগত বলে বিবেচিত হয় এবং শুধুমাত্র স্বাস্থ্যকর খাবারের দোকানে পাওয়া যায়। এর মধ্যে, আপনি অ্যাকাই বেরি (যা আমাজন রেইন ফরেস্ট থেকে আসে), গোজি বেরি (আরেকটি বিরল ফল), স্পিরুলিনা (একটি অলৌকিক কাজকারী সামুদ্রিক শৈবাল) এবং অন্যান্য খুঁজে পেতে পারেন। ভাল খবর হল যে বেশিরভাগ সুপারফুডগুলি আমরা যা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি অ্যাক্সেসযোগ্য এবং প্রকৃতপক্ষে, সেগুলি ইতিমধ্যেই আমাদের বাড়িতে উপলব্ধ। এই সব স্বাস্থ্যকর খাবারের কিছু নাকের নিচে থাকা সত্ত্বেও, আমরা নিয়মিত সেগুলি খাই না। যে আমার বই শুধু আপত্তিকর.সুপারফুডগুলির মধ্যে, আপনি কাছের বাজার বা সুপারমার্কেটে খুঁজে পেতে পারেন: লেগুম, টমেটো, মিষ্টি আলু, ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, কুইনো, স্যামন, ডার্ক চকলেট (70% এর বেশি ক্যাকো সহ), এবং অনেক সবুজ পাতা - সবুজ তারা, তারা স্বাস্থ্যকর. এই কারণে, কালে এমন কিংবদন্তি গল্পের বস্তু হয়ে উঠেছে, যা একে সুপারফুডের অনানুষ্ঠানিক রাজাতে পরিণত করেছে। পালং শাক, ম্যানগোল্ড এবং বক চয় এই তালিকায়ও বেশি

একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েটে পরিবর্তন

 সহজেইস্পষ্টতই, সুপারফুড-সমৃদ্ধ খাদ্যের দিকে মনোনিবেশ করা খুবই সহজ, এবং অতি স্বাস্থ্যকর: প্রক্রিয়াজাত খাবার বা কম স্বাস্থ্যকর খাবারকে সুপারফুড দ্বারা প্রতিস্থাপন করা, শুধুমাত্র আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির মান প্রদান করবে না, বরং শরীরের বিভিন্ন সিস্টেমে শক্তি এবং সহায়তা প্রদান করবে। তাদের মধ্যে কিছু এমনকি মেজাজ উন্নত হরমোন নিঃসরণ বৃদ্ধি..

আপনার সুপারফুড জানুন


আপনার দৈনন্দিন মেনুর অংশ হিসাবে সুপারফুডগুলি গ্রহণ করা শুধুমাত্র তাদের গুরুত্বের স্বীকৃতির প্রয়োজনই করে না, বরং বিভিন্ন ধরণের সুপারফুড, তাদের মান এবং সেগুলি তৈরি করার সর্বোত্তম উপায়গুলি সম্পর্কেও শেখা।

এর মধ্যে কোনটি আপনার উপর সবচেয়ে ভালো প্রভাব ফেলছে তা দেখতে বিভিন্ন ধরণের সুপারফুড পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।আপনি ওয়েব জুড়ে এমন অনেক রেসিপি খুঁজে পেতে পারেন যা সুপারফুডগুলিতে মনোনিবেশ করে এবং আপনার আগ্রহের নির্দিষ্ট সুপারফুডগুলির পুষ্টির মান সম্পর্কে আরও অনেক তথ্যআপনার জন্য শুধুমাত্র একটি জিনিস বাকি আছে তা হল জানানো, আপনার প্রিয় সুপারফুড রেসিপি খুঁজুন এবং রান্না করা শুরু করুন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আরও ২ সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে:শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আরও ২ সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে:শিক্ষামন্ত্রী

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মেয়াদ আরও ২ সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে
ড. দীপু মনি শিক্ষামন্ত্রী  ছবিঃ সংগৃহীত

কোভিড-১৯-এর জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির পরামর্শ অনুসারে সরকার 6 ফেব্রুয়ারির পরে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বন্ধের সময় আরও দুই সপ্তাহের জন্য বাড়িয়েছে কারণ দেশটি ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের সাথে লড়াই করছে।
বুধবার এক ভিডিও বার্তায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, 'কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরও কয়েকদিন বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা বিবেচনায় ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

"আমি আশা করি যে সমস্ত লোকেরা সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোভিড - 19 সংক্রমণ প্রতিরোধে নির্দেশিকাগুলি অনুসরণ করবে এবং শিক্ষার্থীরা শীঘ্রই স্কুলে ফিরে আসবে," তিনি বলেছিলেন

কোভিড-১৯-এর জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির পরামর্শ অনুসারে সরকার 6 ফেব্রুয়ারির পরে সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বন্ধের সময় আরও দুই সপ্তাহের জন্য বাড়িয়েছে কারণ দেশটি ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের সাথে লড়াই করছে।

বুধবার এক ভিডিও বার্তায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, 'কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরও কয়েকদিন বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা বিবেচনায় ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

"আমি আশা করি যে সমস্ত লোকেরা সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোভিড - 19 সংক্রমণ প্রতিরোধে নির্দেশিকা অনুসরণ করবে এবং শিক্ষার্থীরা শীঘ্রই স্কুলে ফিরে আসবে," তিনি বলেছিলেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবুল খায়ের দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, "মন্ত্রণালয় শীঘ্রই এ বিষয়ে একটি নোটিশ জারি করবে।"

বুধবার সকাল 8টা পর্যন্ত বাংলাদেশে গত 24 ঘন্টায় আরও 36 টি কোভিডের মৃত্যু এবং 12,193 টি নতুন মামলার খবর পাওয়া গেছে যার ইতিবাচক হার 27.43% কারণ সারা দেশে 44,451 টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকা বাস্তবায়নে তার মনিটরিং জোরদার করবে।

এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল, 2022 সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা সপ্তাহের প্রতিদিন চারটি বিষয়ে ক্লাস করবে।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তিনটি বিষয়ে, অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে দুইবার তিনটি বিষয়ে এবং ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সপ্তাহে একবার তিনটি বিষয়ে ক্লাস করবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যে দেখা যায়, প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষা স্তর পর্যন্ত ৪.৫ কোটির বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে 1.16 কোটি শিক্ষার্থীর বয়স 12-18 বছর এবং প্রায় 44 লাখ শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছে।

12 বছরের বেশি বয়সী 1.40 কোটি শিক্ষার্থী 1.60 কোটির মধ্যে প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন পেয়েছে এবং 25 লাখ দুটি ডোজ পেয়েছে।

প্রায় সব শিক্ষকই টিকা পেয়েছেন। শিক্ষকদের মধ্যে কয়েকজন এখনও বিভিন্ন সমস্যার কারণে টিকা পাননি, তিনি যোগ করেছেন।
দুই জনের ফাঁসি ও ছয়জনের যাবতজীবন দিলো বাংলাদেশ আদালত।

দুই জনের ফাঁসি ও ছয়জনের যাবতজীবন দিলো বাংলাদেশ আদালত।

প্রাক্তন সামরিক মেজরকে হত্যার বিচারে প্রাক্তন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড এবং অন্য ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রাক্তন সামরিক মেজর সিনহা হত্যার দায়ে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে যা দেশের নিরাপত্তা বাহিনী কর্তৃক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের উপর আলোকপাত করেছে।


.দক্ষিণ-পূর্ব পর্যটন শহর কক্সবাজারের কাছে ২০২০ সালের ৩১ জুলাই সিনহা মোহাম্মদ রাশেদকে হত্যার দায়ে প্রদীপ কুমার দাস ও লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেন জেলা আদালতের বিচারক।

দাস এবং অন্যান্য বেশ কয়েকজন অফিসারের বিরুদ্ধে একটি প্রকৃতির তথ্যচিত্রের চিত্রগ্রহণের সময় অবসরপ্রাপ্ত সেনা মেজরকে গুলি করে হত্যা করার অভিযোগ আনা হয়েছিল।


বিচারক বলেছেন এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড," প্রসিকিউটর তৌহিদুল আহসান এএফপি বার্তা সংস্থাকে বলেছেন। "তাদের মধ্যে একজন তাকে গুলি করে হত্যা করেছে এবং অন্য একজন তাকে তার বুট দিয়ে লাথি মারছে যখন সে মারা যাচ্ছে।"


সোমবারের শুনানিতে অপরাধের উদ্দেশ্য নিয়ে আলোচনা হয়নি। হত্যার বিবরণ প্রেসে ফাঁস করা হয়েছিল এবং দেশের সামরিক ভ্রাতৃত্বের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল, যারা অফিসারদের শাস্তির দাবি করেছিল।রায় ঘোষণার সময় দাস ও তার সহ-ষড়যন্ত্রকারীদের নিন্দা জানাতে আদালতের বাইরে শত শত মানুষ জড়ো হয়েছিল।


হত্যার দায়ে আরও ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, আর সাতজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে বাংলাদেশের অধিকারের রেকর্ড ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক নিন্দা করেছে ।বাংলাদেশী মানবাধিকার গবেষক মোবাশ্বর হাসান বলেন, দাস এবং অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি কেবল এগিয়ে গেছে কারণ ভিকটিম দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর সদস্য।


অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী হাসান এএফপি নিউজ এজেন্সিকে বলেছেন, "প্রদীপ অনেকটাই পালিয়ে যেতে পারতেন এবং সম্ভবত মাদক ব্যবসায়ীদের হত্যার নামে সাধারণ নাগরিকদের হত্যা করে রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী পদক পেতেন।"


দাসকে দেশের দক্ষিণে 170 টিরও বেশি হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডিংয়ের জন্য অধিকার গোষ্ঠীগুলি অভিযুক্ত করেছে ।



Source=Aljazeera.com


প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কর্মীদের জন্য 5 টাকায় খাবার ব্যাবস্থা।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কর্মীদের জন্য 5 টাকায় খাবার ব্যাবস্থা।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিভিন্ন কারখানায় প্রায় 75,000 শ্রমিকদের কারখানা প্রাঙ্গনে ভর্তুকি মূল্যে মানসম্পন্ন খাবার সরবরাহ করা হয়।

নাটোর সদরের প্রাণ এগ্রো ফ্যাক্টরিতে কাজ করেন সোদেশ সোরকার। তার কর্মস্থল থেকে বাড়ি যেতে মাত্র 20 মিনিট সময় লাগে যা তাকে করতে হবে না, বা তার কাজের জন্য দুপুরের খাবার নিতে হবে না, বা প্রতিদিন কোনো হোটেল থেকে খাবার কিনতে হবে না, কারণ সে কারখানায় 5 টাকায় তার দুপুরের খাবার কিনতে পারে। কেবল.

sodesh গত আট বছর ধরে কারখানায় কাজ করছে এবং প্রথম থেকেই এই সুবিধা পাচ্ছে।প্রাণ গ্রুপ 1981 সালে ব্যবসা শুরু করে এবং এর বিভিন্ন ব্যবসার প্রসারের সাথে দিন দিন শ্রমিকের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের কারখানায় বর্তমানে ১২৫,০০০ কর্মী ও কর্মচারী রয়েছে। তাদের মধ্যে, কারখানায় সরাসরি কর্মরত 75,000 শ্রমিককে এই ভর্তুকিযুক্ত খাদ্য সুবিধা দেওয়া হয়।{}


কারখানার শ্রমিকরা ছাড়াও, গ্রুপের অন্যান্য কর্মচারীদেরও ভর্তুকিযুক্ত খাবারের সুবিধা দেওয়া হয়, তবে আয়ের উপর নির্ভর করে, তারা খাবার প্রতি 8 টাকা থেকে 25 টাকা পর্যন্ত যে কোনও জায়গায় প্রদান করে।


Sodesh Sorkar, যার বেতন 8,500 টাকা, 5 টাকায় পেট ভরে খাওয়ার সুযোগ একটি আশীর্বাদ। তিনি বলেন, বাড়ির খাবার প্রায়ই দুপুরের খাবারের সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে। "কিন্তু আমি কারখানায় গরম খাবার পাচ্ছি," {}


নরসিংদীর ঘোড়াশালে আরেকটি প্রাণ কারখানার কর্মী সুমোনা বলেন, "প্রথম যখন চাকরিতে যোগদান করি তখন বাড়ি থেকে খাবার আনা নিয়ে আমার খুব টেনশন ছিল। আমি চিন্তায় ছিলাম যে বিছানা থেকে নামার পরই দুপুরের খাবার তৈরি করতে হবে। সকালে. তাছাড়া, খাবার প্রায়ই দুপুরের খাবারের সময় নষ্ট হয়ে যেত। কিন্তু এখানে যে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে তা আমার বাড়ির খাবারের চেয়ে ভালো।"


কর্মীদের সাথে কথা বলে, টিবিএস জানতে পেরেছে যে কাজের সপ্তাহে কারখানার খাবারের মধ্যে প্রতিদিন শাকসবজি এবং ডাল বা ডাল ছাড়াও দুই দিন মাছ, দুই দিন মাংস এবং দুই দিনের ডিম থাকে। কখনও কখনও উত্সব উপলক্ষেও বিশেষ খাবার রয়েছে।


কারখানা কর্তৃপক্ষের মতে, সংস্থাটি 2010 সাল থেকে শ্রমিকদের ভর্তুকিযুক্ত খাবার সরবরাহ করে আসছে। বর্তমানে সংস্থাটি তাদের খাবার কর্মসূচিতে ভর্তুকি দেওয়ার জন্য মাসে প্রায় 5 কোটি টাকা ব্যয় করে। কোম্পানিটির বার্ষিক ভর্তুকি ব্যয় বর্তমানে প্রায় ৬০ কোটি টাকা।


তবে, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল গত 10 বছরে কর্মচারীদের জন্য খাবার ভর্তুকিতে তাদের ব্যয় সম্পর্কে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি।


তিনি বলেন, শুরুতে শ্রমিকের সংখ্যা এখনকার মতো বেশি ছিল না এবং ভর্তুকিও ছিল কম।


শ্রমিকদের ভর্তুকি দিয়ে খাবার দিতে এত টাকা খরচ করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, "আমাদের কর্মীদের স্বাস্থ্য আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাইরের খাবার খেলে তারা অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেযদি তারা সুস্থ হয়, অনুপস্থিতি কম হবে যেখানে শ্রমিকরা কম অসুস্থ ছুটি দাবি করে এবং বাইরে খাওয়ার সময়ও বেশি লাগে। তাই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।"


শ্রমিকদের জন্য খাবার রান্না করা এবং এর মান বজায় রাখা আমাদের জন্য একটি বিশাল কাজ। বাংলাদেশে আরও অনেক সংস্থা আছে যারা কর্মীদের এই ধরনের সুবিধা প্রদান করে, তবে সম্ভবত অন্য কেউ নেই যে এত বড় পরিসরে এটি সংগঠিত করে," তিনি যোগ করেন।


তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগের ফলে তারা তাদের সামগ্রিক উৎপাদনশীলতায় ইতিবাচক প্রভাব দেখছেন।


দেশের গার্মেন্টস শিল্পের কিছু এবং অন্যান্য সেক্টরের কিছু কারখানা শ্রমিকদের জন্য একই রকম খাবার সুবিধা প্রদান করা হয়।

দৃষ্টি আকর্ষণ

এই সাইটে আমরা নিজস্ব কোনাে খবর তৈরী করি না..আমরা বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবরগুলাে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি..তাই কোনাে খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযােগ থাকলে সংশ্লিষ্টনিউজ সাইটের কতৃপক্ষের সাথে যােগাযােগ করার অনুরােধ করা হলো।